CV বা Curriculum Vitae বা জীবন বৃত্তান্ত হচ্ছে একজন চাকরিপ্রার্থীর প্রতিচ্ছবি। সিভিতে একজন প্রার্থীর পরিচয়, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা, অর্জন, এবং সর্বোপরি একজন প্রার্থী সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা থাকে। যেকোন প্রতিষ্ঠান নিয়োগের পূর্বে প্রার্থীকে যাচাই করতে সিভি নিয়ে থাকে।

ধরা যাক কোন একটি নিয়োগের ক্ষেত্রে ২ জন ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেওয়া হবে , বিজ্ঞাপন দেওয়ার পর দেখা যাবে এই ২টা পোস্ট এর বিপরীতে ২০০+ সিভি ড্রপ হতে পারে। এখন এই ২০০ জনের ইন্টারভিউ নেওয়া অনেকটাই অসম্ভব । এক্ষেত্রে কোম্পানি শুধুমাত্র সিভি দেখে এবং সিভির উপর নির্ভর করেই শর্ট লিস্ট করবে। অর্থাৎ আপনি সিভি যত বেশি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করবেন, চাকরিদাতা আপনার প্রতি তত বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে।

সিভিই হচ্ছে চাকরীদাতা এবং আপনার মধ্যে পরিচয়ের প্রথম মাধ্যম। তাই এমন একটি সিভি তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে চাকরীদাতা সিভি দেখেই আপনার প্রতি ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন।

০১. প্রফেশনাল সিভির বিভিন্ন সেকশনের ধাপ :

চাকরির ধরন অনুযায়ী সিভি’র কিছু কিছু অংশ সবসময় পরিবর্তনশীল। সেগুলো নিজের মতো করে প্রয়োজন অনুযায়ী লিখতে হবে। কিন্তু কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো অপরিবর্তনশীল প্রত্যেকটা সিভি’র ক্ষেত্রেই।

এই সকল বিষয় বিবেচনা করে একটি সিভি (CV)- তে কি কি থাকা উচিৎ , কোন অংশের পর কোন অংশ হওয়া উচিত এবং বিভিন্ন অংশের বর্ননা কেমন= হবে তা বিভিন্ন পার্টে ভাগ করে বর্ননা দেওয়া হলোঃ

Part of a CV !!!!!!!!!! Page-01

.

Part 01: Heading, Photo & Career Objective : 


০১. শিরোনাম (Heading):

এখন মডার্ন সিভি গুলোয় শিরোনাম হিসেবে নিজের নামই ব্যাবহার হয়ে থাকে, ‘কারিকুলাম ভিটা’ বা ‘সিভি’ দিয়ে শিরোনাম করা ঠিক নয়। শিরোনামের সাথে যোগাযোগের জন্য কি-পয়েন্ট তথ্যও সংযুক্ত থাকে। এই কি পয়েন্ট গুলোর মধ্যে যোগাযোগের ঠিকানা , ই-মেইল এড্রেস এবং ফোন নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক। এবং এই অংশে লিংকডইন প্রোফাইলের লিংক যোগ করে দিতে পারলে আরো ভালো হয়। তবে লিংকডইন প্রোফাইলের তথ্য যেন হালনাগাদ থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

.

০২. ছবি: 

সিভির ক্ষেত্রে অনেকেই দেখা যায় একই ছবি ৫ বছর ব্যাবহার করেন কিংবা দেখা যায় একটা ফাংশনের ছবি কিংবা সাধারন সেলফিও দিয়ে রাখেন। এরকম টা করা যাবেনা, যেহেতু আপনি একটি চাকরির আবেদন করছেন,তাই এক্ষেত্রে আপনার ছবিটি প্রফেশনাল এবং সুন্দর মার্জিত ও স্মার্ট ফটো ব্যবহার করবেন। ফটো ব্যাকগ্রাউন্ড যেনো এর কালার হবে খুব সাধারণ,এক্ষেত্রে ব্যাকগ্রাউন্ডে একেবারে সাদা বা হালকা নীল রঙ ব্যবহার করতে পারেন। অবশ্যই পাসপোর্ট সাইজ এর ফটো ব্যবহার করতে হবে। সিভির ক্ষেত্রে এই বিষয় গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

.

০৩.ক্যারিয়ার অবজেকটিভ :

Heading এর পর থাকবে Career Objective/Career goal। এই অংশে আপনার ক্যারিয়ারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি, এ সম্পর্কে সংক্ষেপে ৫ থেকে ৬ লাইন লিখবেন। ইচ্ছে করলে আপনার সিভির একটি সারাংশও এখানে তুলে ধরা যেতে পারে।  অনেকে ক্যারিয়ার অবজেক্টিভের মধ্যে “Seeking”, “Need”, “Looking for Position”, “Good Organization” এসব ওয়ার্ড ব্যবহার করেন। এগুলো মারাত্মক ভুল। অবজেক্টিভ হতে হবে শুধুই কাজ করার মেন্টালিটি। চাই, প্রয়োজন, দেন, খুঁজছি এগুলো দুর্বলদের কথা।

.

Part 02: অভিজ্ঞতা বর্ণনা (Experience)

অনেকে সিভিতে কাজের অভিজ্ঞতা শেষের দিকে উপস্থাপন করেন। কিন্তু মডার্ন সিভিগুলোতে শুরুর দিকেই কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয় কারন আপনার সিভি তৈরির মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে চাকুরি তাই চাকুরির অভিজ্ঞতা প্রথম দিকে আলোকপাত করতে হবে । চাকুরিদাতা যে ধরনের অভিজ্ঞতা চেয়েছেন/যে ধরনের প্রার্থী চাচ্ছেন সেধরনের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ হলে খুব সহজে প্রথমেই চাকুরিদাতার মনযোগ আকর্ষণ করা যায়। তাই ধারাবাহিকভাবে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করুন।

★★ অভিজ্ঞতার বর্ননা শুরু করতে হবে শেষ দিক থেকে অর্থাৎ সর্বশেষ যে চাকুরিটি আপনি করেছেন সেটার অভিজ্ঞতা বর্ননা করতে হবে প্রথমে, ক্রমান্বয়ে পূর্ববর্তী চাকুরিগুলোর অভিজ্ঞতা বর্ননা করতে হবে।

★★ অভিজ্ঞতা বর্ননা করার ক্ষেত্রে প্রথমেই প্রতিষ্ঠানের নাম ক্রমান্বয়ে পদের নাম, চাকুরির সময়সীমা অর্থাৎ ওই পদে কতদিন ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন, কি কি দায়িত্ব পালন করেছেন সেই তথ্য উল্লেখ করুতে হবে।

.

Part 03: Professional Membership

কোন প্রফেশনাল মেম্বারশিপ যদি থাকে তা উল্লেখ করবেন

.

Part 04: Education Qualification

একটি সিভিতে অভিজ্ঞতার পর আকর্ষণের মূল অংশ হলো শিক্ষাগত যোগ্যতা সেকশনটি। এই অংশে আসলে তেমন বাড়তি কিছু বলার নেই কারন আপনার যে শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে তা সঠিক ভাবে বর্ণনা করলেই হবে।

★★ বর্ননা করার ক্ষেত্রে শিক্ষা জীবনের সবশেষ পর্যায় থেকে শুরু করে বর্ণনা করতে হবে। অর্থাৎ আপনি যদি মাস্টার্স সম্পন্ন করে থাকেন, তাহলে যথাক্রমে মাস্টার্স, অনার্স, এইচএসসি এবং এসএসসি এই ধারাবাহিকতায় বর্ননা করুন।

★★ ছকাকারে বর্ননা করলে মার্জিত দেখায় তাই ছকাকারে বর্ননা করার চেষ্টা করুন (নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন) । টেবিল তৈরির ক্ষেত্রে পরীক্ষার নাম, বোর্ড/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, , পাশের বছর এবং ফলাফল এই ক্রম বজায় রাখতে পারেন।

.


Part of a CV !!!!!!!!!! Page-02

.

Part 05: Computer & Others Skill

এখনকার চাকরিগুলোতে শুধুমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতাই শেষ কথা না বরং বিশেষ কাজে দক্ষতা আছে এমন প্রার্থীদের প্রথমে আহ্বান করা হয়।অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কম্পিউটারে বেসিক স্কিল না থাকলে আপনার সিভিটি গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। তাই খুব ভালো হয়, যদি আপনি কোথাও সিভি সাবমিটের পূর্বেই গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয়ের ওপর দক্ষতা অর্জন করেন।এছাড়া বিশেষ কোন সফটওয়্যার এ আপনার দক্ষতা থেকে থাকে, তাহলে তা সাবলীল ভাবে এই অংশে বর্ণনা করুন। তবে একটা বিষয় মাথায় রাখবেন গদ বাঁধা মুখস্থ ভাবে সফটওয়্যার এর নাম না দেওয়াই শ্রেয় বরং আপনি সত্যিকার অর্থেই যদি সফটওয়্যার এর কাজ পারেন তাহলে তা উল্লেখ করবেন নতুবা মিথ্যা তথ্য দিয়ে শর্টলিস্টেড হতে পারলেও পরবর্তীতে ইন্টারভিউতে আপনাকে প্রথমেই বাদ দিয়ে দেওয়া হবে। তাই কপি-পেস্ট করে সফটওয়্যার এর নাম না দিয়ে আপনি যেসব সফটওয়্যার এর কাজে দক্ষ সেগুলোই উল্লেখ করুন।

.

.

Part 06: Project Work

পূর্ববর্তী বিভিন্ন কোম্পানিতে যেসকল প্রজেক্টে কাজ করেছেন তাদের মধ্য থেকে মেজর কয়েকটি প্রজেক্ট উল্লেখ করতে পারেন

.

Part 07: Personal Profile

ব্যক্তিগত তথ্যে আপনার সাম, ঠিকানা, মাতা-পিতার নাম, আপনার জন্ম তারিখ, জাতীয়তা, বৈবাহিক অবস্থা, ধর্ম, স্থায়ী/অস্থায়ী ঠিকানা বিষয়গুলো থাকবে। একদম কি-পয়েন্ট গুলো শুধুমাত্র উল্লেখ করতে হবে, অপযাচিত তথ্য দিয়ে এই অংশ ফিলাপ করবেন না। নিচে এরকম কয়েকটি উদাহরন দেওয়া হলো।

★★ একটি ছেলের ছবি সিভিতে যুক্ত থাকার পরেও সে যখন আলাদাভাবে লিখে যে তার সেক্স Male, সেটা খুবই অপ্রয়োজনীয়।
★★ নাকের সংখ্যা, চোখের সংখ্যা,উচ্চতা এগুলো আপনার চাকিরর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এসব তথ্য বিয়ের সিভি তে দিবেন ,জবের সিভি তে না।

.

Part 06: Language

এ অংশে আপনি যে ভাষা গুলো জানেন সেগুলো উল্লেখ করবেন।

.

Part 09: Hobbies

এ অংশে আপনার বিভিন্ন শখ গুলো উল্লেখ করবেন। তবে এক্ষেত্রে অহেতুক কিছু না দেওয়া শ্রেয়। বই পড়া, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, খেলাধুলা করা ইত্যাদি দিতে পারেন

.

Part 10: Additional Information & Acknowledgement 

সিভিতে Additional Section জুড়ে দিতে পারেন। যেমন ধরুন এই অংশে আপনার অতিরিক্ত অর্জনগুলো উল্লেখ করতে পারেন। যেমন: পদক বা সম্মাননা, ভাষাগত দক্ষতা, সামাজিক ও সেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ড ইত্যাদি উল্লেখ করে দিতে পারেন।

সবশেষে এই তথ্যগুল আপনি নিজে দিচ্ছেন এবং সকল তথ্যই যে সত্য তা উল্লেখ করে নিচে আপনার স্বাক্ষর সহ নাম থাকবে।

.

Part 11: Reference

সিভিতে রেফারেন্স অংশটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার দেয়া তথ্যগুলো দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি থেকে যাচাই করার প্রয়োজনবোধের জন্যই সিভিতে রেফারেন্স চাওয়া হয়। তাই এমন কোন ব্যক্তি যিনি আপনাকে ভালো করে জানেন, তার নাম রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। হতে পারে তিনি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, আপনার পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র কলিগ অথবা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তবে রেফারেন্স হিসেবে যার নাম আপনি সিভিতে ব্যবহার করছেন, ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই তার থেকে অনুমতি নিয়ে নেবেন।

.

০২. সিভির সঠিক ফরমেটিং :

ফন্ট নির্বাচন:আমরা জানি সিভি লেখার নিয়ম হচ্ছে সহজবোধ্য ফন্ট (Font) ব্যবহার করা। সাধারণ লেখার জন্য স্ট্যান্ডার্ড কিছু ফন্ট আছে। Times New Roman, Calibri, Arial, Tahoma, এবং Helvetica ফন্টগুলো যার মধ্যে অন্যতম। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে Times New Roman ব্যাবহার করা। এবং খেয়াল রাখতে হবে যেনো সম্পূর্ন সিভিতে একই ফন্ট থাকে।

সঠিক ফন্ট নির্বচনের পাশাপাশি কত সাইজের ফন্ট ব্যবহার তা নির্ধারণ করাও জরুরি। সেকশনগুলোর শিরোনামের জন্য 14 থেকে 16 pt এবং ভেতরের বিস্তারিত লেখার জন্য 11 থেকে 12 pt ফন্ট ব্যবহার উত্তম।

.

লে-আউট ঠিক রাখুন: সিভির কাগজটি A4 মাপের রাখুন এবং লেখার সময় উভয় দিক থেকে কমপক্ষে ১ ইঞ্চি পরিমাণ জায়গা ফাঁকা রাখুন। সেকশনের শিরোনামগুলো Bold এবং Highlighted করে দিতে পারেন।

.

অতিরিক্ত রঙ এবং গ্রাফিক পরিহার করুন:সিভিতে কালারিং করলেই যে সিভি চোখে পড়বে তা কিন্তু নয়। বরং সেটা আপনার রুচিহীনতা প্রকাশ করে। সিভি হবে সাদা কাগজে কালো লেখা। মনে রাখবেন, ”What is simple, that is Beauty” । এছাড়া সিভিটি অসাধারণ করতে গিয়ে মাত্রাতিরিক্ত গ্রাফিক এলিমেন্টের ব্যবহার করবেন না। এতে আপনার সিভি দেখতে দৃষ্টিকটু লাগবে এবং গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। পাশপাশি যে কাগজটিতে প্রিন্ট করবেন সেটি যেন ভাল মানের সাদা বা অফ-হোয়াইট কাগজ হয় সেইদিকেও লক্ষ্য রাখবেন।

.

বানান ও ব্যাকরণ:সিভির ভাষা অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে। শুধু বানানই নয়, লেখা শেষে ব্যকরণগত ত্রুটিও যাচাই করতে হবে। ছোট একটু ভুলের জন্যও আপনার সম্পর্কে চাকরিদাতার নেতিবাচক ধারণা তৈরি পারে। এর ফলে চাকরিটা আপনার হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

.

চাকরির ধরন অনুযায়ি সিভি: সব ধরনের চাকরিতে একরকমের সিভি প্রযোজ্য হয় না। শিক্ষক চেয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আপনি যেভাবে সিভি লিখবেন, সেলস ইঞ্জিনিয়ার কিংবা ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার পদের জন্য নিশ্চই সেভাবে লিখবেন না।
ধরুন, আপনি মুরগি রাঁধবেন। একই মশলা দিয়ে কি গ্রিল, তান্দুরি, রোস্ট, কাবাব তৈরি সম্ভব? নিশ্চয়ই না। তাই প্রতিটি চাকরির জন্য সিভিতে আলাদা প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করা সবচেয়ে ভালো। তার মানে চাকরির চাহিদা অনুযাইয়ী আপনাকে সিভি তৈরি করতে হবে।

.

সিভিটি সংক্ষিপ্ত রাখুন:সিভি সাহিত্যচর্চার জায়গা নয়। মনে রাখবেন, সিভি যত বড়, সিভি ছুড়ে ফেলে দেয়ার সম্ভাবনাও তত বেশি। তাই খুব অল্প কথাতেই নিজের সম্পর্কে অনেক কিছু বলতে হবে। করিদাতা একটি সিভি দেখার জন্য গড়ে ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় দেন না। তাই সিভির তথ্যগুলো যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত ও প্রাসঙ্গিক রাখুন, যাতে করে এটি সিভি পাঠকের বিরক্তির কারণ না হয়ে ওঠে।

★★ ফ্রেশার থেকে শুরু করে ৬-৭ বছর যারা চাকরি করছেন, তাদের সিভি হবে ২ পেজ।
★★ ৬-১৫ বছর যাদের অভিজ্ঞতা তাদের সিভি হবে তিন পেইজ।

তবে কিছু ক্ষেত্রে এই সংখ্যা বাড়তে পারে।

.

PDF নাকি Word: অনেক কোম্পানি হার্ড কপির পরিবর্তে সিভির ডিজিটাল কপি চেয়ে থাকে। তাই আপনার লেখা শেষ হয়ে গেলে সিভি লে-আউট অক্ষত আছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য PDF ভার্সনে সিভিটি সেইভ করুন এবং সিভি PDF –ফরমেট এ পাঠান।

.

সিভিতে ই-মেইলের ব্যাবহার: 

সিভিতে অনেকেই ই-মেইল আইডি পাওয়া যায় : [email protected] , [email protected] ইত্যাদি নামে। এধরনের ক্ষেত্রে নিশ্চিত থাকতে পারেন, এরকম আজেবাজে মেইল আইডি থাকলে ইন্টারভিউর ডাক পাবেন না। আপনার নামের সাথে মিল রেখে সাবলীল ই-মেইল এড্রেস ব্যাবহার করুন।

.

সিভি CV সাথে LinkedIn :

সব সময় যেমন সিভি টি আপডেট করবেন ঠিক তেমনি আপনার LinkedIn প্রোফাইলটি ও আপডেট করে নিবেন। LinkedIn প্রোফাইল নিয়ে আমাদের কিছু ব্লগ আসবে সেগুলো দেখে লিঙ্কডিইন প্রোফাইল তৈরি করে নিবেন এবং সিভিতে লিংকডইন প্রোফাইল লিংক এটাচ করে দিবেন। মনে রাখবেন যদি আপনার ভালো একটি LinkedIn প্রোফাইল থাকে অনেক সময় আপনার সিভি এর চেয়ে সে প্রোফাইল টি বেশি কাজে আসবে।

[লিংকডইন কিভাবে সাজাবেন তা বুঝতে আমার লিঙ্কডইন প্রোফাইলটি দেখে আসতে পারেন। LinkedIn Profile Link: Engr. Md. Towhidul Islam ]

.

শেষ কথা :

শেষ কথা হচ্ছে সিভি কপি করবেন না।অনেকেই বড় ভাইয়ের সিভি নিয়ে তার মধ্যে নিজের নাম ঠিকানা বসিয়ে সিভি তৈরি করে। এমনকি সিভি কপি করার সময় অনেকের পিতার নাম, মোবাইল নম্বর ওই বড় ভাইয়ের টাই থেকে যায়। একবার এক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের সিভি পেয়েছিলাম। সিভিতে লেখা ছিল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। সব বড় ভাইদের দোয়া।

সিভি কপি করা বিরাট ভুল। ক্যারিয়ারের শুরুতেই নির্ভরশীলতা মোটাই ঠিক না। আমরা প্রত্যেকেই ইউনিক, প্রত্যেকের সিভিও ইউনিক হতে হবে। তাই নিজের সিভি নিজে কেখার চেষ্টা করুন !!

সঠিক চাকরি পাওয়া আপনার ক্যারিয়ারের খুবই গুরতবপূর্ন ধাপ। এর মাধ্যমে মোটামুটি বলা যায় আপনার ক্যারিয়ার কোনদিকে যাবে। । তাই আপনি কোন সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে চান তা নির্দিষ্ট করে সে অনুযায়ী সিভি তৈরি করুন এবং সিভি লেখার নিয়ম মেনে চমৎকারভাবে নিজেকে উপস্থাপন করুন।

.

Regards
Engr. Md.Towhidul slam
Upazila Assistant Engineer
LGED, Ministry of LGRD

Former
Assistant Engineer (Civil)
Bangladesh Building Systems Ltd (BBS)

Sales & Project Engineer
Automan Steel Building Systems Ltd (ASBS)

.
For Civil Engineering Job Circular, Job Questions, Job Questions Solutions & for various Civil Engineering information Join our Facebook Group Civilian Study Zone and follow our Facebook Page Design Integrity

.

সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) জব প্রিপারেশন কোর্স
সঠিক গাইডলাইন সহ, টেক্সট বই এবং বিগত সালের প্রশ্নের আলোকে গুছানো সব লেকচার নোট , বেসিক ক্লিয়ার করে শুরু থেকে কিভাবে প্রস্তুতি নেওয়া , এক্সামে কি ধরনের Question হতে পারে, পূর্ববর্তী প্রশ্নের এনালাইসিস ও সলিউশন, কোন এক্সাম কারা নিবে, কোন এক্সামের জন্য কিভাবে প্রস্তুতি সাজাতে হবে এই সবকিছুর কম্বিনেশনে 𝐃𝐞𝐬𝐢𝐠𝐧 𝐈𝐧𝐭𝐞𝐠𝐫𝐢𝐭𝐲 এর জব প্রস্তুতি কোর্সটি। 

কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত পাবেন নিচের লিকে
https://blog.dil.com.bd/2021/05/assistant-engr-civil/

যোগাযোগঃ 01829713900



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here