বর্তমানে সরকারি চাকরির পরীক্ষা গুলো অনেক প্রতিযোগিতামূলক । তাই এ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রিপারেশন নিতে হবে অনেক গুছিয়ে এবং সার্বিক ভাবে অর্থাৎ সাজেশন নির্ভর কিংবা আধো আধো প্রস্তুতি নিলে এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা অসম্ভব।


এই লেখায় থাকছে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়োগ পরীক্ষার নন-টেকনিক্যাল অংশের প্রিপারেশন কিভাবে নিবেন ?

যদিও ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষায় টেকনিক্যাল অংশেই বেশী নম্বর থাকে কিন্তু সার্বিক ভাবে ভালো করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল নন-ডিপার্টমেন্ট অংশেও ভালো নম্বর পাওয়া! নাহলে দেখা যায় হয়তো আপনি টেকনিক্যাল অংশে ভালো করে লিখিত পাশ করছেন কিন্তু ভাইভাতে বাদ পড়ে যাচ্ছেন এর মূল কারন লিখিত পরীক্ষায় পর্যাপ্ত নম্বর না থাকা। এজন্যে বুয়েট প্যাটার্নের পরীক্ষা গুলোতে ভালো করার জন্যে আপনাকে টেকনিক্যাল অংশের পাশাপাশি নন-টেকনিক্যাল অংশেও ভালো করতে হবে।

নন-টেকনিক্যাল অংশে কি কি থাকে ?

বুয়েটে যেহেতু টেকনিক্যাল জবের পরীক্ষা হয় এজন্য নন-টেকনিক্যাল অংশ খুব বেশী একটা কঠিন প্রশ্ন হয়না তাই একটু ভালো ভাবে প্রস্তুতি নিলেই ভালো করার সুযোগ থাকে । বুয়েটের পরীক্ষায় দুই ধরনের জব-প্যাটার্নে দুই ভাবে নন-টেকনিক্যাল অংশের প্রশ্ন হয়ে থাকে।  

১/ পাওয়ার সেক্টর সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা
১/  পাওয়ার সেক্টর ব্যাতীত অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা

পাওয়ার সেক্টরের পরীক্ষার ধরন সাধারনত অন্যান্য পরীক্ষার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে । এখানে দুই ধরনের পদ্ধতিই আলোচনার করার চেষ্টা করবো

পাওয়ার সেক্টর ব্যাতীত অন্য সব প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষাঃ

বর্তমানে সময়ে সাধারণত ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়োগ পরীক্ষায় নন-টেকনিক্যাল অংশে যে ধরনের প্রশ্ন আসে—
নন-টেকনিক্যাল এ সাধারনত (৪০-৫০±) টি প্রশ্ন থাকে, এবং প্রতিটি প্রশ্নে থাকে ০.৫ নম্বর করে অর্থাৎ নন-টেকনিক্যাল এ মোট নম্বর থাকে (২০-৩০±) । এই অংশে নৈব্যক্তিক প্রশ্ন থাকে এবং কোন নেগেটিভ মার্কিং থাকেনা। তাই যত ইচ্ছা উত্তর করতে পারবেন।

মানবন্টনঃ
বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়োগ পরীক্ষা/বুয়েটে অনুষ্ঠিতব্য বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন সাধারনত দিয়ে দেয়না , এজন্যে সঠিক ভাবে মানবন্টন বলা সম্ভব না তবে, নন-টেকনিক্যাল অংশের মানবন্টন কম-বেশী এরকম হয়ে থাকে

১. বাংলা (১০± টি প্রশ্ন) = ৫±  নম্বর
২. ইংরেজি (১০± টি প্রশ্ন) =৫± নম্বর
৩. গণিত ও মানসিক দক্ষতা (১০-১৫ ± টি প্রশ্ন)  =১০± নম্বর
৪. সাধারণ  বিজ্ঞান ও কম্পিউটার (১০± টি প্রশ্ন)= ৪-৫± নম্বর ( এই অংশ না ও থাকতে পারে,এই অংশ থেকে প্রশ্ন থাকলে অনান্য অংশে প্রশ্ন কমে আসে)  
৫. সাধারন জ্ঞান ( ১০± টি প্রশ্ন) = ৫-১০ ± নম্বর

পাওয়ার সেক্টর সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষাঃ

পাওয়ার সেক্টরের নন-টেকনিক্যাল এর প্রশ্ন সাধারনত অন্যান্য জবের পরীক্ষার তুলনায় কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে।এক্ষেত্রে পাওয়ার সেক্টর থেকে অনেক বড় একটা অংশের mcq প্রশ্ন হয়।

পাওয়ার রিলেটেড জবের পরীক্ষাগুলোয় নন-টেকনিক্যাল অংশে যে ধরনের প্রশ্ন আসে—
নন-টেকনিক্যাল এ সাধারনত ৬০-৭০±  টি প্রশ্ন থাকে, এবং প্রতিটি প্রশ্নে থাকে ০.৫ নম্বর করে অর্থাৎ নন-টেকনিক্যাল এ মোট নম্বর থাকে ৩০-৪০± নম্বর । নৈব্যক্তিক প্রশ্ন থাকে এবং কোন নেগেটিভ মার্কিং থাকেনা। তাই যত ইচ্ছা উত্তর করতে পারবেন।

মানবন্টনঃ
পাওয়ার সেক্টরের বিভিন্ন পরীক্ষার নন-টেকনিক্যাল অংশের মানবন্টন কম-বেশী এরকম হয়ে থাকে

১.পাওয়ার সেক্টর সম্পর্কিত প্রশ্ন – (২০± টি প্রশ্ন) = ১০-১৫ নম্বর
২. বাংলা (৫-১০ টি প্রশ্ন) = ৫  নম্বর +-
২. ইংরেজি (৫-১০ টি প্রশ্ন) = ৫ নম্বর +-
৩. গণিত ও মানসিক দক্ষতা (১০-১৫ ± টি প্রশ্ন)  =১০± নম্বর
৪. সাধারন জ্ঞান ( ১০+- টি প্রশ্ন) = ৫-১০ নম্বর +


পাওয়ার সেক্টরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার পদের পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের ব্লগটি পড়তে পারেন
Click here to read – সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে চাকুরির প্রস্তুতির বিস্তারিত

নন-টেকনিক্যাল অংশের জন্য কি পড়বেন?

“A good plan is half work done.”

এজন্যে পড়তে হবে প্ল্যানিং অনুযায়ী এবং গুছিয়ে, এলোপাথাড়ি পড়াশোনা করলে সবকিছু হযবরল লাগবে ।  এজন্য মানানসই একটি “স্টাডি প্ল্যান” প্রয়োজন। পরিশ্রমের পাশাপাশি পড়াশোনায় হতে হবে ’’কৌশলী” হতে।

Plan-A

বুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং এর যেসব পরীক্ষা হয়, সেগুলোতে দেখা যায় টেকনিক্যাল অংশেই মূলত ৭০-৮০ ভাগ নম্বর থাকে । ফলে নন-টেকনিক্যাল এর ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল এর মত এতটা সময় দেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। এজন্যে Plan-A অনুসারে প্রথমে অতি প্রয়োজনীয় বিষয় গুলোর প্রস্তুতি নিতে হবে এবং মোটামুটি এই প্রিপারেশনে নন-টেকনিক্যাল অংশ কাভার হয়ে যায় অনেকাংশে।  তবে কারো যদি আলাদা কোন বিষয়ে ঘাটতি থাকে যেমনঃ বাংলা, ইংরেজী, গণিত কিংবা অন্যকোন বিষয়ে দূর্বলতা থাকে তাহলে প্ল্যাব-বি অনুসরন করে সেই বিষয়ের জন্যে আলাদা ভাবে বিস্তর প্রস্তুতি নিতে পারেন।

Plan-A অনুসারে নিচের ধাপ গুলো অনুসরন করে প্রস্তুতি নিতে পারেনঃ

১/  বিসিএস প্রশ্ন সমাধানঃ
বিসিএস এর বিগত সালের ১০-৪১ তম বিসিএস এর প্রশ্ন সমাধান করতে হবে। বুয়েটের পরীক্ষা গুলোতে বিসিএস এর বিগত সালের প্রশ্ন থেকে কম-বেশী প্রশ্ন প্রায়ই থাকে । এজন্য বিসিএস প্রশ্ন ভালো ভাবেই পড়তে হবে এবং চেষ্টা করবেন প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরের ব্যাখ্যা সহ পড়তে। তাহলে সহজে মনেও থাকবে এবং ওই প্রশ্নের আশে পাশের টপিক গুলোও পড়া হয়ে যাবে।

২/ ডাইজেস্ট সমাধানঃ
কিছু কমন প্রশ্ন থাকে যেগুলো ডাইজেস্ট থেকে ডিরেক্টলি-ইন্ডিরেক্টলি রিপিট করে থাকে। যেকোন প্রকাশনীর একটা ডাইজেস্ট পড়লে এগুলো মোটামুটি উত্তর করতে পারবেন। এডভান্স লেভেল পড়তে গিয়ে এই কমন লেভেল টা যেন বাদ পড়ে না যায়, তাহলে পরিশ্রম করেও প্রপার রেজাল্ট পাবেন না।

৩/ জব সলিউশন সমাধানঃ
বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের সমাধান করতে হবে, বাজারে বিভিন্ন প্রকাশনীর জব সলিউশন পাবেন । যেকোন একটা সলভ করলেই পাবেন।

এছাড়া বুয়েট কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পরীক্ষার বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করতে হবে, যদিও বুয়েটের পরীক্ষা গুলোতে পরীক্ষা শেষে প্রশ্ন নিয়ে নেওয়া হয় এজন্য সব প্রশ্ন পাওয়া যায়না। বিভিন্ন গ্রুপ, কিংবা বিগত সালে অংশগ্রহন করা পরীক্ষা দিয়ে যেসব প্রশ্নে মনে ছিলো, সংগ্রহ করা গিয়েছে  সেগুলো নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন। এতে করে প্রশ্নের ধরন ও বুঝতে পারবেন এবং কিছু প্রশ্ন কমন ও পেতে পারেন।
(Courtesy: বুয়েট কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পরীক্ষার বিগত সালের প্রশ্ন সংগ্রহ করা হয়েছে School of Engineers গ্রুপ থেকে)

৪/ সাম্প্রতিক এর জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স , পত্রিকা, এবং কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এর বিশেষ সংখ্যা পড়তে পারেন
 

Plan-B :

প্ল্যান-A অনুসারে যদি প্রস্তুতি নিতে পারেন তাহলে বুয়েটে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা গুলোতে মোটামুটি ভালোই করতে পারবেন। তবে কেউ যদি আরো এডভান্স লেভেলে এবং বিষয় ভিত্তিক প্রস্তুতি নিতে চান তাহলে প্ল্যান-বি অনুসারে প্রতিটি বিষয়ের রেফারেন্স বই থেকে বিস্তারিত প্রস্তুতি নিতে পারেন। এক্ষেত্রে যদিও সময় বেশী লাগবে কিন্তু কনফিডেন্স বাড়বে এবং এই প্রস্তুতি বিসিএস প্রিলিমিনারির ক্ষেত্রেও অনেক কাজে আসবে।

➡️১। বাংলাঃ

বাংলার ব্যাকরন অংশের জন্য নবম-দশম শ্রেনীর বাংলা ব্যাকরন বইটি পড়তে হবে। এক্ষেত্রে যেমন বেসিক ক্লিয়ার হবে সাথে সাথে পাবেন নির্ভুল উত্তরের নিশ্চয়তা পাবেন।


বাংলা সাহিত্যের জন্য পড়তে হবে লাল-নীল দীপাবলি- হূমায়ুন আজাদ। এই বইটি যেমন সাবলীল তেমনি নির্ভুল।  এই বইটা পড়ে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তর জানতে পারবেন।

এছাড়া সহায়ক বই হিসেবে রাখতে পারেন জর্জ এর MP3 Bangla , অগ্রদূত বাংলা । এই দুইটা বই মূলত চাকরি পরীক্ষা উদ্দেশ্য করেই প্রকাশ করা হয়েছে। বিগত সালের বিভিন্ন প্রশ্ন সমাধান, এবং গুরতবপূর্ন বিষয় কে ফোকাস করে বইগুলো প্রকাশিত হয়েছে । এজন্য সহায়ক হিসেবে এই বই গুলো রাখলে বাংলায় একটা স্ট্রং জোন তৈরি হবে।

➡️২। ইংরেজিঃ

ইংরেজি গ্রামারের জন্য Competitive Exams অথবা MASTER থেকে বুঝে বুঝে পড়ুন। ইংলিশ লিটারেচার এর জন্য ওরাকল এর মিরাকল থেকে বিস্তারিত পড়তে পারেন। এবং Vocabulary এর জন্য Barrons এর বইটা খুবই কাজে দিবে, ই বইটা Vocabulary অংশের প্রস্তুতির জন্যে সহয়ক হিসেবে রাখতে পারেন।

➡️৩। গণিত ও মানসিক দক্ষতাঃ   

বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষাগুলো তে ক্যালকুলেটর ব্যাবহার করতে দেয়। সেক্ষেত্রে গণিত অংশ নিয়ে খুব বেশী সমস্যা হবেনা। বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষা গুলোতে মানসিক দক্ষতা অংশে অনেক প্রশ্ন থাকে। এই অংশ একটু প্র্যাকটিস করতে হবে।

সহায়ক বই হিসেবে রাখতে পারেন

১/শাহীন’স ম্যাথ
২/খায়রুলস বেসিক ম্যাথ

যেকোন একটা বই অনুসরন করলেই যথেষ্ঠ হবে। এবং যেসব চ্যাপ্টার গুলো গুরুত্বপূর্ণ এবং বিগত সালে বেশী এসেছে সেগুলো বেশী ফোকাস করে পড়ুন।  

➡️৪। সাধারন জ্ঞানঃ

সাধারন জ্ঞ্যানে দুইটি অংশ থাকে  বাংলাদেশ বিষয়াবলি  এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি।

১/ বাংলাদেশ বিষয়াবলিঃ

জর্জ এর MP3 পড়লেই মোটামুটি যথেষ্ঠ আর সম্ভব হলে বেসিক ক্লিয়ার করার জন্য আজকের বিশ্ব পড়তে পারেন । আর যদি একদম বেসিক থেকে শুরু করে প্রস্তুতি নিতে চান তাহলে নবম-দশম শ্রেনীর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এইচ.এস.সি এর ইতিহাস এবং জ্ঞানসিন্ধু বইগুলো পড়তে পারেন।

২/ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিঃ
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির জন্যে ওরাকল সিরিজের বই টা পড়তে পারেন। যথেষ্ঠ বিস্তারিত ও তথ্য সম্বলিত বই। এটা কাভার করলে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে সমস্যা হবার কথা না

➡️৫। সাম্প্রতিকঃ


সাম্প্রতিক এর জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স , পত্রিকা, এবং সহায়ক হিসেবে শেষের দিকে প্রফেসরস এর বিশেষ সংখ্যা পড়তে পারেন।

➡️৬। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিঃ

” Self Suggestion কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি” বইটি পড়তে পারেন । অথবা জর্জ সিরিজের ইজি কম্পিউটার বইটি সহায়ক হিসেবে পড়তে পারেন । আরো বিস্তারিত প্রস্তুতি নিতে চাইলে এইচ.এস.সি এর যেকোন লেখক এর আইসিটি বই রেফারেন্স হিসেবে পড়তে পারেন ।

➡️৭। বিজ্ঞানঃ

জর্জ সিরিজের বিজ্ঞান ” অথবা ওরাকল বিজ্ঞান টা দেখতে পারেন । সময় দিয়ে ভালো করে পড়তে চাইলে ওরাকল সিরজের বই টা পড়তে পারেন, যথেষ্ঠ বিস্তারিত এবং ইনফরমেটিভ।

আমরা শুধুমাত্র আপনাকে প্রস্তুতির গাইডলাইন দিতে পারি কিন্তু প্রস্তুতি নেওয়া নির্ভর করবে আপনার উপর। আপনার সময় অনুসারে একটা স্টাডি প্ল্যান তৈরি করুন এবং সেই অনুসারে পড়ার চেষ্টা করুন। ভালো মানের বই অল্প করে বার বার বেসিক ক্লিয়ার করে পড়লে মেমোরাইজ জোন তৈরি হবে, মনে থাকবে বেশি। এই বইগুলো পড়লে আপনার ইঞ্জিনিয়ারিং জবের প্রস্তুতির পাশাপাশি, বিসিএস এবং অন্যান্য নন-টেক চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া জন্যেও সহজ হয়ে যাবে

শুভ কামনা

AUTHOR: 
Engr.Towhidul Islam
Upazila Assistant Engineer
LGED

JOIN US
FB Group : https://www.facebook.com/groups/CivilianStudyZone
FB Page :
https://www.facebook.com/DesignIntegrityBd

Website: http://dil.com.bd
Blog:
https://blog.dil.com.bd

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here