সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং হল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার প্রাচীনতম ও অন্যতম শাখা যার বাংলা পুরকৌশল বিদ্যা । সারা পৃথিবীর প্রকৌশল বিদ্যায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় থাকে এই শাখাটি। স্বপ্ন যাদের দেশ গড়ার তাদের জন্যই পুরকৌশল।
পৃথিবীর প্রাচীনতম ও চাহিদার দিক থেকে সবসময়ই শীর্ষে থাকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কদর বাংলাদেশেও অনেক। দেশে যত মেগা প্রজেক্ট হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে সব গুলোতেই অনেকাংশে অবদান রয়েছে দেশের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দের। তাই সঙ্গত কারনেই দেশের প্রায় অনেক ইউনিভার্সিটি তেই পড়ানো হচ্ছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।
 
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার কথন এর দ্বিতীয় পর্বটিতে আলোচনা করা হয়েছে কোন কোন ইউনিভার্সিটিতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ রয়েছে, কোন ইউনিভার্সিটিতে কেমন ফ্যাসিলিটিস রয়েছে এসব সম্পর্কে বিস্তারিত। আপনি যদি মনস্থির করেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বেন তাহলে দ্বিতীয় পর্ব পড়ে ঠিক করুন কোথায় পড়বেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। 

 

☑️ কোথায় পড়বেন ? .
☑️ পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ
☑️ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ
 
পাবলিক ইউনিভার্সিটি তে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং : (বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং) 
.
বাংলাদেশের প্রায় সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিছু বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশের ৫ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (BUET), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (CUET), ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (DUET), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KUET) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (RUET) সহ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (SUST) ও মিলিটারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (MIST) এ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ রয়েছে।

 

 

নিম্নোক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি গুলো সরকারী, তাই খরচ অন্যান্য পাবলিক ভার্সিটির মতই।

১. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) – ১৯৫ আসন
২. ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(ডুয়েট )-শুধুমাত্র ডিপ্লোমা ব্যাকগ্রাউন্ড দের জন্যে -১৮০ আসন
৩. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) -১২০ আসন
৪. রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) -১৮০ আসন
৫. চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-১৩০ আসন
৬.শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)- ৫০~৫৫ আসন
৭.মিলিটারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মিস্ট)-২০~২৫ আসন
৮.হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)
৯.পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি)
১০.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে

 
পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং : (বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং)
এছাড়াও রয়েছে ৩ টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, যেগুলো তে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হচ্ছে।
১.সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ  – শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। – ৬৮ আসন
২. ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ  – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে।-৬০ আসন
৩.ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ  – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে।-৬০ আসন
 
 
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং : (বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং)
 
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে
 
১.বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা (BAIUST) 
২.বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সৈয়দপুর, নীলফামারী (BAUST) 
৩.বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,নাটোর, কাদিরাবাদ (BAUET) 
 
 
 
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং : (বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং) 
এখন দেশে মানসম্মত অনেক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে । ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয় সরকার। সে সময় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আইন নামে একটি আইনও পাশ করা হয়। এই আইন বলে প্রথম বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ২০১০ সালে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য নতুন একটি আইন প্রবর্তন করা হয়। এখন মোট ৫০টির বেশী বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আছে বাংলাদেশে। এরমধ্যে কিছু আছে মানসম্মত আবার কিছু আছে যথেষ্ঠ মানসম্মত নয়  তাই কিছুটা দেখেশুনে এবং খোঁজখবর নিয়ে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া উচিত।
বাংলাদেশে বর্তমানে বেশ কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বি.এস.সি  ডিগ্রি অফার করছে ,এর মধ্যে প্রপার ল্যাব ফ্যাসিলিটি ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যাবস্থা সম্মত কিছু ইউনিভার্সিটির নাম উল্লেখ করা হলো। এরপরেও যখন ভর্তি হবেন তখন সেই ইউনিভার্সিটি তে গিয়ে সরজমিনে দেখে শুনে ভর্তি হতে হবে।
 
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে উল্লেখ্য কিছু : 

আপনি যখন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বেন সেক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি নির্বাচন এর আগে আপনাকে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

প্রথমত, সেই ইউনিভার্সিটি আই.ই.বি (ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ) কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কিনা।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) বাংলাদেশের প্রকৌশল পেশাজীবীদের জাতীয় সংগঠন। IEB হলো বাংলাদেশে ইঞ্জিয়ারদের অভিভাবক সংস্থা।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ থেকে শুরু করে সেখানকার ল্যাব সুবিধা, ফ্যাকাল্টি মেম্বার এসবের ওপর বিবেচনা করে সেই নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্ট কে একটি এফিলিয়েশন দিয়ে থাকে। যে সমস্ত ডিপার্টমেন্ট এর এই এফিলিয়েশন আছে সে সমস্ত ডিপার্টমেন্ট এর ছাত্র রা পরবর্তীতে সেখানকার মেম্বার হতে পারবেন ।

IEB এফিলিয়েশন প্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্টঃ Click here to check IEB Accredited Universities for Civil Engineering

দ্বিতীয়ত, ইউনিভার্সিটি এর ল্যাব ফ্যাসিলিটি কেমন,পর্যাপ্ত ল্যাব ফ্যাসিলিটি আছে কিনা? ক্যাম্পাস কেমন, নিজস্ব ক্যাম্পাস আছে কিনা ইত্যাদি অবকাঠামোগত বিষয়গুলো

তৃতীয়ত, ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি লিস্ট কেমন, অর্থাৎ ইউনিভার্সিটির শিক্ষকরা কেমন যোগ্যতা সম্পন্ন,কত পিএইচডি হোল্ডার রয়েছে ইউনিভার্সিটিতে, স্ট্রাকচার-আরসিসি-জিওটেকনিক্যাল-ট্রান্সপোর্টেশন সহ এনভায়রনমেন্ট ও ওয়াটার রিসোর্স এর পর্যাপ্ত শিক্ষক আছেন কিনা। ( এসব তথ্য সহজেই ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে পাবেন)

চতুর্থত, ইউনিভার্সিটির আউটপুট কেমন, ইউনিভার্সিটির এলমনাই রা কি ধরনের জব করছে কিংবা কেমন পজিশনে আছেন (যদিও এইসব তথ্য পাওয়া কষ্টসাধ্য, তবে যেকোন সিনিয়র সিভিল ইঞ্জিনিয়ার থেকে এসব তথ্য সহজেই জানা যাবে)

পঞ্চম, ইউনিভার্সিটির সর্বমোট খরচ কেমন, ওয়েভার কেমন, নানা ইস্যুতে হিডেন চার্জ ধরা হয় কিনা যার ফলে স্টাডি কস্ট অনেকটা বেড়ে যায়।

 
১. আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বিবিদ্যালয় : 

যদি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি তে সিভিল এর কথা চিন্তা করা হয় তাহলে প্রথমেই আসবে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা। ঢাকা আহসানিয়া মিশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯৯৫ সালে বেসরকারী খাতে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এখন নিজস্ব ক্যাম্পাসে তেজগাঁও শিল্প এলাকার নিজস্ব ক্যাম্পাসে এর শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

শিক্ষাব্যাবস্থা  – ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্যে প্রাইভেট এর মধ্যে সবার আগেই আসে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম । মোটামুটি কম খরচে মানসম্মত শিক্ষাব্যাবস্থা দিচ্ছে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

 

ক্যাম্পাস – ৪ বছর একটা ইউনিভার্সিটি তে পড়বেন তাই কোথায় পড়ছেন , ল্যাব ফ্যাসিলিটি কেমন,ক্যাম্পাসের মান কেমন এসব বড় ফ্যাক্টর । আর সেক্ষেত্রে আপনি অনায়সে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করতে পারেন ,কারন রয়েছে সুন্দর সাবলীল ক্যাম্পাস ও যথেষ্ঠ ল্যাব ফ্যাসিলিটি।

 

মেম্বারশীপ – IEB লিস্টেড

 

Website : Click here to check AUST Civil Engineering website

 
 
২. ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক
বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শিক্ষার্থীদেরকে উপযুক্ত শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় অবস্থিত। অসাধারন সব ফ্যাকাল্টি, পারমানেন্ট ক্যাম্পাসের জন্যে এগিয়ে রাখতে পারেন ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক কে। 

 

শিক্ষাব্যাবস্থা- সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্যে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি এর মধ্যে UAP কে এগিয়ে রাখতে পারেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ কম খরচে মানসম্মত শিক্ষাব্যাবস্থা দিচ্ছে UAP । অসাধারন সব ফ্যাকাল্টির জন্যে UAP অনেক এগিয়ে । দেশের খ্যাতনামা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জামিলুর রেজা স্যার UAP এই ইউনিভার্সিটির ভি.সি ছিলেন দীর্ঘ দিন ।
 
ক্যাম্পাস – ল্যাব ফ্যাসিলিটি ,ক্যাম্পাসের মান এসবের ক্ষেত্রে আপনি অনায়সে UAP কে পছন্দের ঘরে রাখতে পারেন , UAP এর রয়েছে পারমানেন্ট ক্যাম্পাস ও যথেস্ঠ ল্যাব ফ্যাসিলিটি।
 
মেম্বারশীপ – IEB লিস্টেড
 
 
৩ .ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি 
গাজীপুর জেলাইয় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। এটি মূলত একটি শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল এবং বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা ওআইসি’র হাতে এবং এর লক্ষ্য ওআইসিভুক্ত সকল রাষ্ট্রের ছাত্রদের জন্য পড়াশোনার সুব্যবস্থা করে দেয়া এবং প্রযুক্তি ও প্রকৌশল শিক্ষার ক্ষেত্রে মুসলমানদের এগিয়ে নিয়ে আসা।
 

শিক্ষাব্যাবস্থা- সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্যে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি এর মধ্যে IUT অন্যতম। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ মানসম্মত শিক্ষাব্যাবস্থা দিচ্ছে IUT ।

ক্যাম্পাস –  ৩০ একর জমি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়া IUT এর রয়েছে সুবিশাল ক্যাম্পাস, আধুনিক সব ভবন এবং অত্যাধুনিক ল্যাব ফ্যাসিলিটিস। আই ইউ টি তে ছাত্রদের বসবাসের জন্য ২টি ভবন আছে। ভবন ২টি যথাক্রমে উত্তর ও দক্ষিণ হল নামে পরিচিত। হল দুটিতে বসবাসের জন্য সকল আধুনিক সুবিধা রয়েছে।এখানে রয়েছে প্রতিটি হলে মোট ১৫০ টি করে কক্ষ যেখানে প্রত্যেকটি কক্ষে ৪ জন করে ছাত্র থাকতে পারে ।
 
মেম্বারশীপ – IEB লিস্টেড
 
 
৪. স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি

বাংলাদেশে যে কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি তার মধ্যে একটি। বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে এটি স্ট্যামফোর্ড কলেজ গ্রুপ অব বাংলাদেশ,  হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ পেয়ে স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ নামে কার্যক্রম শুরু করে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইটি শাখা রয়েছে, একটি সিদ্ধেশ্বরী এবং অপরটি ধানমন্ডি অবস্থিত।

শিক্ষাব্যাবস্থা- AUST/ UAP/ IUT এগুলোর পরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য Stamford কে রাখতে পারেন । Stamford University
 
মেম্বারশীপ – IEB লিস্টেড 
 
 
৫.আইইউবিএটি

 

 
শিক্ষাব্যাবস্থা- AUST/ UAP/ IUT এগুলোর পরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য এই ইউনিভার্রসিটি কে রাখতে পারেন ।
ক্যাম্পাস – এই ইউনিভার্রসিটির ক্যাম্পাস আশুলিয়ায় অবস্থিত , মান-সম্মত ক্যাম্পাস ও ল্যাব ফ্যাসিলিটি বিদ্যমান
 
মেম্বারশীপ – IEB লিস্টেড
 
 
৬.নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি
 
শিক্ষাব্যাবস্থা- AUST/ UAP/ IUT এগুলোর পরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য  র্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি কে রাখতে পারেন ।
ক্যাম্পাস – এই ইউনিভার্রসিটির ক্যাম্পাস আশুলিয়ায় অবস্থিত , মান-সম্মত ক্যাম্পাস ও ল্যাব ফ্যাসিলিটি বিদ্যমান
 
মেম্বারশীপ – IEB লিস্টেড
 
 
 
৭.ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি  (IEB লিস্টেড নয়)
৮.ইউনিভার্সিটি অফ ইনফরমেশন এন্ড টেকনোলোজি (IEB লিস্টেড নয়)
৯. ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি (IEB লিস্টেড নয়)
১০. ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি (IEB লিস্টেড নয়)
১১. ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি (IEB লিস্টেড নয়) 
১২. সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি (IEB লিস্টেড নয়)
১৩.প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিট (IEB লিস্টেড নয়)
১৪. পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (চট্টগ্রাম) (IEB লিস্টেড নয়)
১৫.সাউর্দান ইউনির্ভাসিটি বাংলাদেশ (চট্টগ্রাম) (IEB লিস্টেড)
১৬.লিডিং ইউনিভার্সিটি (সিলেট) (IEB লিস্টেড নয়)
১৭.নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ (খুলনা) (IEB লিস্টেড নয়)

[ বিদ্রঃ উল্লেখিত IEB এফিলিয়েশন প্রাপ্ত এর বিষয়টি পরিবর্তনশীল, আপডেটেড তালিকাটি এই লিংক এ দেখুনঃ  Click here to check IEB Accredited Universities for Civil Engineering]
 
“সর্বোপরি যাদের পুরকৌশলে আগ্রহ আছে তারা নির্দ্বিধায় এ পেশায় আসতে পারেন। ভবিষ্যৎ খুব খারাপ হবে না ইনশাল্লাহ।
তবে পরিশ্রম,প্যাশিয়ন আর ধৈর্য থাকতে হবে
সবার জন্য শুভ কামনা “
 

AUTHOR: 
Engr.Towhidul Islam
Assistant /Upazila Assistant Engineer (Civil) [ Recommended ]
Local Government Engineering Department (LGED)

JOIN US
FB Group : https://www.facebook.com/groups/CivilianStudyZone
FB Page :
https://www.facebook.com/DesignIntegrityBd

Website: http://dil.com.bd
Blog:
https://blog.dil.com.bd

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here